সাফল্যের হাসি। ছবি সৌ: টুইটার
নিউইয়র্ক: মাস কয়কে আগে তাঁর একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। অলিম্পিকের (Olympic) মঞ্চে মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য আচমকা ছুটি নিয়েছিলেন। একাধিক ইভেন্ট থেকে নাম তুলে নিয়েছেন সিমোনে বাইলস। যদিও ফিরে এসেছিলেন। পদকও জিতেছিলেন। অলিম্পিক থেকে দেশে ফিরে মনকে শক্ত করে লড়াই শুরু করেছেন তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া যৌন নিগ্রহ নিয়ে। গোটা ক্রীড়া বিশ্ব সিমোনে বাইলসকে (Simone Biles) বাহবা দিয়েছে অন্যায়ের প্রতিবাদ করার সাহস দেখানোর জন্য। এ বার বর্ষসের অ্যাথলিটের (athlete of the year) শিরোপা পেলেন আমেরিকান (America) জিমন্যাস্ট (gymnast)। আমেরিকার টাইম ম্যাগাজিনের বিচারে বর্ষসেরার পুরস্কার পাচ্ছেন বাইলস।
২০১৬ রিও অলিম্পিকে কিংবদন্তী হয়ে যাওয়া বাইলস টোকিওতে অতীতের ছায়াও দেখাতে পারেননি। মানসিক স্বাস্থ্যের কারণে বেশ কিছু ইভেন্ট থেকে নামও তুলেনিয়েছেন। ওই সময় সারা বিশ্ব বাইলসের পাশে দাঁড়িয়েছিল। পরে বাইল নিজেও স্বীকার করেছিলেন, মানসিক অবসাদ যে কোনও অ্যাথলিটের পারফরম্যান্সে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। অলিম্পিকের আগে তো বটেই অলিম্পিকের সময়ও বাইলিসরে মনে হয়েছিল জিমন্যাস্টিকস থেকে সরে যাবেন। তাঁর মা সে সময় সামলেছিলেন মেয়েকে। ওই প্রসঙ্গ নিয়ে আমেরিকান জিমন্যাস্ট বলেছেন, মনে যদি ঝড় চলে, কাছের লোকদের তা জানানো উচিত। একমাত্র ঘনিষ্ঠ কেউ অবসাদ কাটাতে সাহায্য করতে পারে।
২১ বছরের বাইল জিমন্যাস্টকিস ফ্লোর তো বটেই যে কোনও খেলাধূলার প্ররণা এবং কিংবদন্তী। তাঁর ভাঙাচোরা শৈশব কাটিয়ে সাফল্যের এভারেস্টে উঠে পরার গল্প সারা বিশ্বে বন্দিত। সেই কারণেই টাইম ম্যাগাজিন সেরা অ্যাথলিটের পুরস্কার দিয়েছে তাঁকে।
আরও পড়ুন : Hockey: মাঠে ফিরে কোরিয়ার কাছে আটকে গেলেন মনপ্রীতরা