কলকাতা : আগেই চেক বাউন্স বিতর্কে চাপে পড়েছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও মহমেডান ক্লাবের সভাপতি হুমায়ুন কবির। তাঁর পাঠানো তিনটি চেক বাউন্স করে গিয়েছিল ফলে দুশ্চিন্তায় ভুগছিল মহমেডান ক্লাব। এবার এই বিষয়েই বড় পদক্ষেপ নিল সাদা-কালো ব্রিগেড।
আজ, শনিবার বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহমেডান ব্রিগেড। হুমাযুন কবিরকে ডেডলাইন বেঁধে দিল মহমেডান কর্তারা। ১০ আগস্টের মধ্যে প্রতিশ্রুতির পুরো টাকা না দিতে পারলে সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে হুমায়ূনকে। একপ্রকার হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন মহমেডান কর্তারা। এমনকি, ৫ আগস্টের মধ্যে দিতে হবে প্রতিশ্রুতির অর্ধেক টাকা। এই কারণেই অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট করা হল গজল জাফরকে। একই সঙ্গে সহ সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল কাজী মাসুম আখতারকে। শোনা গিয়েছিল, ২৫ কোটি টাকার আর্থিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন হুমায়ুন কবির। সেটা দিতে হবে ১০ তারিখের মধ্যে। এর মধ্যে ৫ তারিখের মধ্যে দিতে হবে সাড়ে ১২ কোটি টাকা। এই বিশাল অর্থ দিতে না পারলে হুমায়ুনকে সরিয়ে দেবে মহমেডান। এমনই হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখল মহমেডান ব্রিগেড।
সূত্রের খবর, ১৭ জুলাই, ২০ জুলাই ও ৩০ জুলাই ক্লাবকে মোট ৩টি চেক দিয়েছেন মহমেডানের নতুন প্রেসিডেন্ট হুমায়ুন। ৫০ লক্ষ টাকা করে তিনবারে মোট দেড় কোটি টাকার চেক দেন হুমায়ুন। সেই তিনটে চেকই বাউন্স করে। এই বিষয়ে হুমাযুনকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেছিলেন, তাঁর পারমিশন ছাড়া কেউ কেন টাকা ব্যাঙ্কে জমা করতে গিয়েছে? তিনি এমনকি এও জানিয়েছিলেন, ২-৪ দিনের মধ্যে সব সমস্যা মিটে যাবে। কিন্তু সমস্যা না মেটার ফলেই এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হল মহমেডানকে।